পরীক্ষার্থীদের মতামত 'করোনার মধ্যে এইচএসসি নয়'


এটি একটি বিজ্ঞাপন

মূল ব্লগ নিচে

করোনায় এইচএসসি নয় - টেকনেসিয়াম


দিন যতই বাড়ছে করোনার প্রাদুর্ভাব ততোই বেড়ে চলেছে। এমন অবস্থায় পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষাব্যবস্থা। করোনার এই বিপর্যয়ের কারণে গত ১৭ই মার্চ থেকে বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে অনিশ্চিত হয়ে যায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। যেটি ১লা এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল।

বাংলাদেশ সরকার সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার ঘোষণা পূর্বেই দিয়েছিলো, সেজন্য আগস্টের শেষের দিকে এই বিষয়টি নিয়ে পূনরায় আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম বিভিন্ন খবর প্রচার করতে থাকে। বিশেষ করে কিছু বাংলা নিউজ পোর্টাল উল্টো-পাল্টা শিরোনাম দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার খবর প্রচার করতে থাকে।

 এসকল খবর শিক্ষার্থী ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে এক ধরনের শঙ্কার সৃষ্টি করে, যেই শঙ্কাটি রূপ নেয় একটি আন্দোলনে। এইচএসসি শিক্ষার্থীরা ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে "করোনার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা" না দেওয়ার জন্য প্রতিবাদ শুরু করে।

এই প্রতিবাদ আরও জোড়ালো হয় যখন ফেসবুকে  করোনা মধ্যে এইচএসসি নয় নামক গ্রুপের সৃষ্টি হয়। গ্রুপটিতে হাজারো এইচএসসি পরীক্ষার্থী যুক্ত হয়ে যায়, বর্তমানে গ্রুপটিতে রয়েছে ১লাখ ৫০হাজারের বেশি সদস্য। এখানে তারা জানাতে থাকে কেন করোনার মাঝে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া ঠিক হবেনা। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এখানে চিকিৎসক ও শিক্ষকসহ অনেকেই শিক্ষার্থীদের সাথে একমত হয়ে জানাচ্ছেন করোনার মধ্যে এইচএসসি নয়। 

করোনার মধ্যে এইচএসসি নয় ফেসবুক গ্রুপ - টেকনিসিয়াম
ফেসবুক গ্রুপে একজন শিক্ষকের পোস্ট

করোনার মাঝে একটি বোর্ড পরীক্ষা নেওয়া আসলেই খুবই ঝুঁকির। প্রতিটি কলেজেই প্রায় হাজারো শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে যায়, এতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে বলেই আশা করা যায়। তবে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো জানায় তারা সঠিক নিয়মে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়েই পরীক্ষা নিবে। আবার, প্রতি বেঞ্চে একজন করে পরীক্ষার্থী নিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনাও হচ্ছে।

তবে আজ ২০এ আগস্ট বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান -

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিবেশ এখনও হয়নি


তিনি এটিও উল্লেখ করেছেন, এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। পরিবেশ অনুকূলে আসলে পরীক্ষা শুরুর ১৫দিন আগেই জানিয়ে দেয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রীর এই ঘোষণাকে সাদরে আমন্ত্রণ করছে শিক্ষার্থীরা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য